April 19, 2026, 3:36 pm

ঝিনাইদহে ট্রাকের হেলপারকে পিটিয়ে জখম, চিকিৎসাধিন অবস্থায় মৃত্যু!

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ-ঝিনাইদহে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলআমিন (২৪) নামের এক ট্রাকের হেলপারকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ঝিনাইদহ শহরের বাইপাস এলাকার শহিদুলের গ্যারেজের সামনে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাতে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে তিনি মারা যান। নিহত আলআমিন জেলার হরিনাকুন্ডু উপজেলার বড়-ভাদড়া গ্রামের আকরাম হোসেনের ছেলে। আল আমিনের মাতা অজলা বেগম অভিযোগ করেন, আমার ছেলে প্রায় ৫ বছর ট্রাকের হেলপার হিসেবে কাজ করে আসছিল। রোববার দুপুরে একটি মোবাইল নাম্বার থেকে কল আসে আলআমিন খুবই অসুস্থ্য। একথা জানার পর আমি ঘটনাস্থলে আসি। তখন আলআমিন জানায়, ট্রাকের টায়ার লাগানো নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে ট্রাক ড্রাইভার ও টায়ারের দোকানিরা মিলে তাকে বেধড়ক মারপিট করে। পরে মুমুর্ষ অবস্থায় স্থানীয়রা ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। তিনি ছেলে হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন। পুলিশ জানায়, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রকৃত দোষিদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা